...
Uttarpara.com
Doler mela uttarpara

উত্তরপাড়া ভদ্রকালীর শতাব্দী প্রাচীন দোল উৎসব ও দোলের মেলা

—সৌমিত্র মুখোপাধ্যায়

উত্তরপাড়া হুগলি জেলার প্রান্তিক শহর।সাবর্ণ রায় চৌধুরী বংশের রত্নেশ্বর রায়চৌধুরীর আমলে উত্তরপাড়া শহরের পত্তন।উত্তরপাড়ার পাশেই ভদ্রকালী। বলা যেতে পারে উত্তরপাড়া ভদ্রকালী যমজ দুই শহর।।

উত্তরপাড়া উচ্চবর্গের জমিদারদের প্রধানত মুখোপাধ্যায় ,চট্টোপাধ্যায় ,বন্দ্যোপাধ্যায়

বংশের লোকেরা বসবাস করতেন এবং এর মধ্যে মুখোপাধ্যায় বংশের প্রাধান্য ছিল বেশী।মুখোপাধ্যায়দের রাজবাড়ি ছিল ,ছিল অনেক বড় বড় প্রাসাদ।

তুলনামূলক ভাবে ভদ্রকালীতে সেই ধরণের জমিদার না থাকলেও বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের জমিদারি ছিল।শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান বহু মানুষের বসবাস ছিল ভদ্রকালীতে।

ভদ্রকালী মাতার নামানুসারে গ্রামের নাম ভদ্রকালী হয়।শেওড়াফুলির রাজা মনোহর রায় প্রায় তিনশ বছর আগে ভদ্রকালীর মন্দিরটি নির্মাণ করেন।মূর্তিটি আরও অনেক পুরোনো যেটা কোনো এক পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। সেই মন্দিরটি আর নেই।নতুন মন্দিরটি দোল মঞ্চের কাছে তৈরী হয়

জ্যোতি প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়(ম্যাকা বাবু),হরিহর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ ব্যক্তিদের তত্বাবধানে।

মন্দিরের পিছনে রামবাড়ি বা রামমন্দির।এখানে রাম,লক্ষণ ,ভরত, শত্রুঘ্ন ও সীতা দেবীর মূর্তি আছে।

পাশেই পশ্চিমদিকে শ্রীশ্রীরাধাগোবিন্দ জীউর মূর্তি।এই রাধাগোবিন্দ জীউর মূর্তিকে কেন্দ্র করেই দোল উৎসব।

দোলের আগের দিন শোভা যাত্রা সহকারে শ্রী শ্রী গোবিন্দ জীউ নগর প্রদক্ষিণ করেন।সঙ্গে চলে আলো, কীর্তন।ভক্তরা শোভা যাত্রার সঙ্গে নগর পরিভ্রমণ করে আসেন।এরপর শুরু হয় চাঁচর বা ন্যাড়া পোড়াএবং বাজি পোড়ানো উৎসব।ষাটের দশকে ডানকুনি কালিপুর থেকে লোক এসে বাজির প্রদর্শনী করতো।স্মরণ থাকে যেন সেই সময় অন্য কোথাও বাজি প্রদর্শনী হতনা সেই কারণে দূর দূরান্ত থেকে লোক এই চাঁচর দেখতে আসতেন।দোলের দিন ভোর বেলা হতো দেবদোল।সেই সময় গোবিন্দের পায়ে আবির দিয়ে আবির খেলা শুরু হতো।সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করত দোলতলা দেব সেবা সমিতি ও অমর স্মৃতি সংঘ। ষাটের দশকে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তত্বাবধানে এই উৎসব হতো।

সমস্ত অনুষ্ঠান সুচারুভাবে সম্পাদনের ভার নিতেন কেষ্ট বোদক।ইলেট্রিক,মাইক লাইট,দোকানদারদের জায়গা বণ্টন এবং আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বও নিতেন বোদক মহাশয়।

প্রথম দিকে মেলা কতদিন হবে তার নির্দিষ্ট সময় সীমা না থাকলেও পরে ঠিক হয় মেলা হবে পনেরো দিনের ।

ভদ্রকালীর দোল উৎসব শতাব্দী প্রাচীন।ঠিক কত বছর আগে এর সূচনা হয়ে ছিল তা জানা না গেলেও প্রবীণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে এই মেলা প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো।

পঞ্চাশ বছরেরও আগে ষাটের দশকে তখন কেমন ছিল দোল ও দোলের মেলা তার একটা চিত্র তুলে ধরছি।

তখন উত্তরপাড়া ভদ্রকালী অঞ্চলে এত লোকজন ছিলনা দোকান পাট ও ছিল কম ফলে বাচ্চা বুড়ো সবাই দোলের মেলার জন্য সবাই অপেক্ষা করত শখ আহ্লাদ পূরণের জন্য,প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য।

বাচ্চারা পয়সা জমাত দোলের মেলার জন্য।আর তখন পালা-পরব বা পুজোতে বাড়ির বড়রা অর্থাৎ দাদু ,ঠাকমা, কাকা,পিসি ইত্যাদি সম্পর্কিত আত্মীয়রা ছোটদের পার্বনী বা পাববনি দিত।আর সেই দুআনা চারআনা জমিয়ে দোলের মেলায় যেত তখনকার ছেলে মেয়েরা।

মেলা বসত দত্ত পাড়ার দুর্গাবাড়ির পর থেকে । দোলের দু তিন দিন আগে থাকতে দোকানদাররা আসতে শুরু করত পসরা নিয়ে।রাস্তার দু ধারে বসত বাদাম ভাজা, পাঁপড় ভাজা, ফুচকা, জিলিপি,গুড় কাটি ইত্যাদি। তখন ভেল পুরির চলন হয়নিতবে ঝাল মুড়ি ছিল।

ঘোড়ার দোলনা বসত এখন যেখানে ভারত সেবাশ্রম সেইখানে। কাঠের ঘোড়া, হাতি,উট আর তার সঙ্গে চেয়ার।সেই দোলনা চঘোরানো হতো হাত দিয়ে। পাশে বেলুন আর বন্দুক দিয়ে বেলুন টিপ করে মারার দোকান।কার হাতের জোর কত তার পরীক্ষা করার গ্রিপ টেস্ট। আইসক্রিম আর শরবতের দোকান।বরফ গুঁড়ো করে তার ওপর লাল সবুজ কমলা রঙের সিরাফ দিয়ে বরফ মালাই।সুজির রসগোল্লা চার আনায় অনেক গুলো পাওয়া যেত।পাওয়া যেত মাংসের ঘুগনি!

রাম মন্দিরের উল্টো দিকে মাঠে স্টেজ করে পুতুল নাচ।এই পুতুল নাচ একটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল যেটা দেখতে দূর দূরান্ত থেকে লোক আসত। ডায়মন্ড হারবার থেকে দূরে কোন এক গ্রাম থেকে পুতুল নাচের লোকেরা আসত।মূলত এঁরা চাষবাস করত আর অবসর সময়ে গ্রামে গঞ্জে মেলায় পুতুল নাচ দেখাত।সূক্ষ্ম সুতো ঝলমলে পোশাক পরা পুতুল গুলিকে হাতের সাহায্যে আর কথার সঙ্গে মিলিয়ে পালা হতো।পৌরাণিক পালা যেমন জরাসন্ধ বধ, শ্রীকৃষ্ণ লীলা, আর সামাজিক পালা শাশুড়ি বউয়ের ঝগড়া,দাম্পত্য কলহ পুতুল নাচের মধ্যে ফুটিয়ে তুলতেন দক্ষ শিল্পীরা।

কালী মন্দিরের সামনের মাঠে থাকত বড় বড় দোকান।আকর্ষণীয় সব খেলনা।তখন ব্যাটারি চালিত খেলনা খুব কমই ছিল এবং তার দাম অনেক।তাই স্প্রিং এর খেলনার প্রচলন ছিল।হাত লাট্টু খুব বিক্রি হতো।লম্বা কালো কার দিয়ে সেই লাট্টু দূরে ছুড়ে আবার কাছে টেনে নিতে হতো। ছিল কাঠের লাট্টু যেটা সাদা লেত্তি দিয়ে ঘোরাতে হতো।ছোট,মাঝারি আর বড় লাট্টু বা বোমা লাট্টু।এক একজন ছেলে লাট্টু ঘোরাতে ওস্তাদ ছিল।লাট্টু ঘুরিয়ে সেটা হাতে তুলে নেওয়ার দক্ষতা ছিল।

মেয়েদের জন্য দোকান ছিল প্রধানত কাঁচের চুড়ি।তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের চুলের ফিতে ক্লিপ,টিপ ইত্যাদি।এছাড়া পাওয়া যেত নকল গয়না।

বেশ কয়েকটি এমব্রয়ডারির দোকান ছিল যেখানে রিং এর ফ্রেমের মধ্যে কাপড় আটকে সুচের সাহায্যে এমব্রয়ডারি শেখানো হতো।বলাই বাবু বলে একজনের দোকানে দিদি বোনেরা যেত Jএমব্রয়ডারি শিখতে আর কিনে আনত ফ্রেম সুতো আর বিশেষ ধরনের সূচ । ওই সব দোকানে পিকটোগ্রাফ শেখানো হতো আর পিকটোগ্রাফ করা কাপড় বিক্রি হতো। সেইসব দোকান আর নেই এখন চলে এসেছে আধুনিকতা।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বঁটি, দা-কাটারী,নারকোল কুরুনী,হাঁড়ি কড়া, উনুন স্টোভ, হাতা, খুন্তি সাঁড়াশি ইত্যাদি। লোহার সরঞ্জাম কোদাল,কুরুল,শাবল করাত হাতুড়ি ইত্যাদি। বসিরহাট থেকে গোবিন্দ দাস এই লোহার জিনিষ পত্র আনতেন।

কাঠের তৈরি বারকোস, বাটি,পিড়ে।মাটির খেলনার দোকান আরো অনেক দোকান।

আর ছিল ওই মাঠের মধ্যে খানে একটি বড় খেলনার দোকান।লোলুপ দৃষ্টিতে সব বাচ্চারা তাকিয়ে থাকত সেই অজস্র খেলনার দিকে।সেটা ছিল দয়াল সাহার দোকান।দীর্ঘদিন দয়াল সাহা সেই দোকান নিয়ে আসতেন তারপর শারীরিক কারণে আর আসতে পারেননি।ওনার ছেলে পরবর্তী কালে আসতেন এখন আর আসেনা সেই বর্ণাঢ্য খেলনার দোকান।

রাম মন্দিরে বা রাম বাড়ির পিছন দিকের গলিতে কাঁচের চুড়ির দোকান নিয়ে বসত কাশীপুর থেকে কিছু মুসলিম মহিলা।আর তার পাশেই সাড়ে ছয়-আনা দিয়ে বিক্রি করা হতো হরেক রকমের জিনিস।খেলনা বাসন-কোষণ মগ হাতা খুন্তি ছাঁকনি সব দাম সাড়ে ছয়-আনা। সেই গানে ছিলনা

“নিলাম ওয়ালা ছ আনা ,

লে লে বাবু ছআনা

যা নেবে তাই ছআনা “

গানটা তখনকার যখন নয়া পয়সা চালু হয়নি। নয়া পয়সা চালু হবার পর ছ-আনা মানে সাঁইত্রিশ পয়সা কিন্তু সাঁইত্রিশ পয়সা দেওয়ার অসুবিধা থাকায় হয়ে গেল সাড়ে ছয় আনা অর্থাৎ চল্লিশ পয়সা।

এই সাড়ে ছ-আনা ওয়ালা তার বিশাল সামগ্রী নিয়ে বসত আর দূর থেকে একটা হাতা যেটার সঙ্গে একটা লাঠি বাঁধা থাকত সেটা দিয়ে পয়সা দেওয়া নেওয়া করত।

কৃষ্ণনগর থেকে মাটির পুতুল নিয়ে নিয়ে বসত ধীরেন পাল।

নাগর দোলনা বসত এখন যেখানে গ্যাসের অফিসে ওই খানে।কাঠের নাগর দোলনা ঘোরার সময় ঘর্ষণ জনিত আওয়াজ হতো ।

মেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিল কতকগুলো খেলনা।

মাটির মোটা পাত্র,সরা ইত্যাদি,পাতলা চামড়ার আস্তরণ আর সরু বাঁশের ছোট ছোট পাতলা টুকরোএইসব দিয়ে তৈরি হতো বিভিন্ন খেলনা।যেমন তৈরি হতো বেহালা।ছড় দিয়ে সেই বেহালা বাজাতো বিক্রেতা।চলতি হিন্দি গান অথবা করুণ কোনো রাগ। বাচ্ছাদের জন্য ছোট ঢাক আর ঢোল আর একটা গরুর গাড়ির মত খেলনা যেটা দড়ি দিয়ে টানলে একটা কট কট, কট কট এক নাগাড়ে আওয়াজ হতো।

নাগর দোলনার যান্ত্রিক আওয়াজ,বেলুনের উপর হাত দিয়ে শব্দ ,বেহালার সুর, খেলনা গরুর গাড়ির আওয়াজ ,মানুষের কোলাহল সব কিছু মিলিয়ে মিশিয়ে একটা সুর তৈরি হতো আর সেটাই ছিল দোলের মেলার থিম মিউজিক।

নাগর দোলনার পাশে দু তিনটে ছোট হোটেল হতো।একটা ছিল কেষ্ট বোদকের হোটেল যেখানে লুচি,কচুরি আলুরদম ঘুগনি থাকত।আর একটা হোটেল ছিল বাঁটুলদার এখানে দিনে ভাত হতো মেলার দোকানিরা খেত আর রাত্রে রুটি ,তরকারি । সন্ধে বেলায়চপ কাটলেট ভাজা হতো আর ছিল ডিম।গোটা গোটা ডিম!লাল টকটকে করে মশলা ,পিঁয়াজ দিয়ে ভাজা।সেই লাল টকটকে ভাজা ডিম খাওয়ার খুব শখ ছিল ,লোভ ছিল কিন্তু খেতে পারিনি পয়সার অভাবে আর বাড়ির লোকের শাসনে।যখন বড় হলাম হাতে পয়সা এল তখন আর বাঁটুল দার দোকান নেই আর ইচ্ছে গুলো কবে কখন যেন মরে গেল।আজও দোল এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই লাল লাল সিদ্ধ ডিম কারি আর আফসোস করে মরি।

মেলার পরিধি প্রায় এখানেই শেষ হয়ে যেত শুধু বোস পুকুরের ধারে দুতিন জন দোকান দিত মাটিতে।একজন কাঁচের উপর মোমের মতো একটা জিনিষ দিয়ে ঘষে ছবির প্রতিলিপি তুলত।একজন ওজন মেশিন নিয়ে ঘন্টা হাতে বসত।আর একজন বুড়ো মতন মানুষ পাটকাটির তৈরি সবুজ ফোল্ডিং সাপ নিয়ে লোককে চমকে দিত।

সত্তর দশকের পর তরুণ ছেলের দল মেলার ভার নিয়ে মেলাকে আরও বড় করার চেষ্টা করতে লাগল।মেলা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে গঙ্গার ধার থেকে শুরু হলো।বিভিন্ন বিদ্যুৎ চালিত দোলনা,রোলার কোস্টার,ব্রেক ড্যান্সএবংআরও নানান মজার রাইড ,ম্যাজিক ,গ্লোবে মোটর সাইকেল তা ও হলো।আসতে লাগল আচারের বিভিন্ন দোকান, বিদেশি পাখি বিক্রি,কাঁচের সরঞ্জাম, কাপড় জামা,বইয়ের দোকান, বুটিক সব কিছু।মেলার বিশ্বায়ন শুরু হলো। বেশ কয়েক বছর চলল তারপর একসময় শুরু হলো মেলার ক্ষয়।মেলার এক অংশ বহুতল হলো,হলো ভারত সেবাশ্রম।মেলার জমি কমে গেল।গঙ্গার পারে আর জায়গা পাওয়া গেলনা।মেলা সঙ্কুচিত হয়ে গেল।তাছাড়া স্থানীয় বারোয়ারি তলার মাঠে আর একটি মেলা দোল উপলক্ষে শুরু হলো। সেখানে আরও বড় বড় দোকান আসতে শুরু করল।

জায়গা সংকোচনের ফলে দোলের মেলায় দোলনা আর নেই এখন শুধুই দোল!তবে ওই মেলাটি এই মেলার প্রায় পাশেই তাই দুটোই একসাথে দেখা যায়।

তবে এই প্রাচীন মেলায় এখনও সব যায়নি আছে নগর প্রদক্ষিণ, চাঁচর,বাজি পোড়ানো যেটা এখন গঙ্গায় নৌকায় হয়,আছে দেবদোল, আসে অনেক পুরোনো দোকানদার ,বাদাম ভাজা,জিলিপি,খেলনার দোকান,লোহার সামগ্রী নিয়ে দোকান,কাঁচের বাসন পত্র।পনের দিনের এই মেলা থাকে জমজমাট।

দোলতলা দেব সেবা সমিতি ও অমর স্মৃতি সংঘের যৌথ উদ্যোগে এই প্রাচীনমেলা দেখতে আসুন ।এই মেলা যেন বিলুপ্ত না হয়ে যায় তার জন্য এলাকার জনসাধারণকে সচেষ্ট হতে হবে।

সঙ্গে কিছু ছবি দিলাম ভাল লাগলে জানাবেন।

শ্রী অলকেশ বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্মৃতিচারণ:

“চমৎকার স্মৃতি ফেরানো নিখুঁত প্রতিবেদন। আমাদের ছোটবেলায় হোগলার ছাউনি গ্যাসের আলো আর

স্বয়ংম্ভর মন্ডলের পুতুল নাচ জমিয়ে দিতো মেলার মাঠ। বাদাম ভাজা বাঁটুলদার লাল হলুদ ডিম আলুরদম আর জিলিপীর গন্ধ। ৫০ বছর আগে শোভাযাত্রায় কাঁধে করে গ্যাসের আলোয় ঠাকুর প্রদক্ষিণ করতো কখনো থাকতো জেলেপাড়ার সং আর চিৎপুরের ব্যান্ড। কালিপুরের বাজীওয়ালা রেজ্জাকের বংশধর এখনও আসে। আর একটা জিনিস হতো প্রদশর্শনী আর ম্যাজিক নররাক্ষস মাকড়সা কন্যা।”

শুভ দোলযাত্রা

মেলায় আমন্ত্রন রইলো।

— —-===০===—

ফিরে দেখা ভদ্রকালী ও কোতরং

ধারাবাহিক ভাবে লেখা শুরু হবে। উত্তরপাড়া গ্ৰুপে লেখা পোস্ট হবে কিন্তু গ্ৰুপের লেখা অনেক সময় হারিয়ে যায় তাই আগ্রহী পাঠকদের অনুরোধ করছি আমার ব্যক্তিগত দেওয়ালে পড়ার জন্য ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান আমি একসেপ্ট করবো। অনেক বড় লেখা সেজন্য অনেকগুলি পর্বে পোস্ট করা হবে।

Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.